বিবিপি নিউজ: শনিবার সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গে মেঘলা আকাশ। জোড়া ঘূর্ণাবর্তের ভ্রুকুটি জানিয়েছেন আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। গত ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে চলতে থাকা একটানা বৃষ্টিতে নাজেহাল দক্ষিণবঙ্গবাসী। জল যন্ত্রনায় নাজেহাল কলকাতাবাসী। আর সকলের মনে একটাই প্রশ্ন
এই যন্ত্রণা থেকে কবে নিস্তার পাওয়া যাবে? আলিপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে খবর, সুস্পষ্ট নিম্নচাপ এবং ঘূ্ণাবর্ত। পূর্ব ও মধ্য বঙ্গোপসাগর থেকে শক্তি বাড়িয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোচ্ছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। শনিবার দুপুরের পর তা ওড়িশা উপকূলের কাছাকাছি আসবে। প্রায় সমান্তরাল একটি ঘূর্ণাবর্ত আগামিকাল উত্তর বঙ্গোপসাগরের দিকে যাবে। এই দুইয়ের যোগফলে রবিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হবে।
আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছেন,দুই মেদিনীপুর, দুই চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, কলকাতা, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টি। হবে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলা ও কলকাতায় হাল্ক বৃষ্টি হবে।বৃষ্টির ফলে দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত নদীর জলস্তর বাড়বে। নীচু এলাকায় জল ঢুকতে পারে। তাই ত্রাণ শিবির তৈরি রাখতে বলা হয়ছে। জেলা প্রশাসনকে সতর্ক করা হয়েছে। ত্রাণ শিবিরে সমস্ত ব্যবস্থা মজুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মৎস্যজীবীদের জন্য সর্তকতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।
আগের একটানা বৃষ্টির ফলে এখনও জলমগ্ন কলকাতার বহু জায়গা। নাজেহাল শহরবাসী। এই অবস্থায় ফের বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা শুনে প্রস্তুতি নিয়ে শুরু করেছে লালবাজার। শনিবার রাত ১২ট থেকে শুরু সর্বক্ষণের কন্ট্রোল রুম। পুলিসের পাশাপাশি থাকছে দমকল, কেএমসি, পিডব্লুডি। কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বে একজন যুগ্ম কমিশনার এবং একজন ডিসি। জমা জলে ইলেক্ট্রিক তার পরে ইতিমধ্যে কলকাতায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তাই সতর্ক সিইএসসি কর্তৃপক্ষ।
