বিবিপি নিউজ: বিশ্ব ক্ষুধা সূচকের নয়া তালিকায় ১১৬টি দেশের মধ্যে ভারত নেমে এসেছে ১০১ নম্বরে। শুধু তাই নয়, এ বারও ভারতকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান, বাংলাদেশ এমনকি নেপালের মতো দেশগুলো। তা নিয়ে ইতিমধ্যেই মোদী সরকারকে নিশানা করতে শুরু করে দিয়েছেন বিরোধীরা। সেই আবহে কেন্দ্রীয় মহিলা ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রক বিবৃতি দিয়ে জানাল, সঠিক ভাবে সমীক্ষা না করেই এই রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। ভারত সরকারের দাবি বিশ্ব ক্ষুধা সূচকের তালিকা যে পদ্ধতিতে তৈরি করা হয়েছে, তা একেবারের বাস্তবসম্মত এবং তথ্যনির্ভর নয়। ফলে ক্ষুধা সূচকের রিপোর্ট প্রকাশক সংস্থাকেই এ বার পাল্টা নিশানা করল কেন্দ্রীয় সরকার।
মন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘অপুষ্টিতে থাকা জনসংখ্যার অনুপাতের যে পরিসংখ্যান তুলে ধরেছে রাষ্ট্রপুঞ্জের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা, তা মোটেই বাস্তবসম্মত নয়। যে পদ্ধতিতে ওই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে, তা-ও সঠিক নয়।’ বিশ্বের কোন দেশ অপুষ্টি ও ক্ষুধার সমস্যায় কতটা জর্জরিত, সেই সংক্রান্ত বিষয় নিয়েই কাজ করে আয়ারল্যান্ডের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড’ এবং জার্মান সংস্থা ‘ওয়েল্ট হাঙ্গার হিলফ’। তার ভিত্তিতেই তৈরি হয়েছে ক্ষুধার সূচকের রিপোর্ট। এ ক্ষেত্রে নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করে যে কোনও দেশের সমসাময়িক অর্থনৈতিক অবস্থান, শিশু স্বাস্থ্য এবং সম্পদ বণ্টনের ক্ষেত্রে অসাম্যের মতো বিষয়গুলি। কেন্দ্রের বক্তব্য, সঠিক ভাবে তথ্য সংগ্রহ না করেই এই রিপোর্ট তৈরি করেছে প্রকাশক সংস্থা। শুধু তাই নয়, যে পদ্ধতিতে অপুষ্টির পরিমাপ করা হয়েছে, তা বিজ্ঞানসম্মত নয় বলেও দাবি করেছে মোদী সরকার।